বুধ. অক্টো ১৬, ২০১৯

বাংলাদেশের উপকূলে ২০টি রাডার বসাবে ভারত !

বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের উপকূলে ২০টি রাডার সিস্টেম নেটওয়ার্ক স্থাপন করবে ভারত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের মাঝে শনিবার সম্পাদিত সমঝোতা স্মারকের অধীন এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করে বঙ্গোপসাগর এলাকায় আরও কড়া নজরদারি চালাবে দেশটি। নতুন এ নেটওয়ার্কের নাম দেয়া হয়েছে ‘কোস্টাল সার্ভিলেন্স রাডার সিস্টেম ইন বাংলাদেশ’।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ডেকান হেরাল্ড বলছে, এই নেটওয়ার্ক সমুদ্রপথে যে কোনো সন্ত্রাসী হামলা শনাক্ত করতে ভারতকে সাহায্য করবে। একই সঙ্গে প্রতিবেশীদের নৌ-সীমানায় দৃষ্টি রাখতে পারবে, যেখানে চীনের লিবারেশন আর্মি নেভি (পিএলএএন) গত কয়েক বছর তাদের যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে। নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে বৈঠকের পরই রাডার সিস্টেমটি স্থাপনের বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ২০১৫ সালে ভারতের পক্ষ থেকে এ ধরনের সমঝোতা স্বাক্ষরে বাংলাদেশকে প্রস্তাব দেয়া হয়। কিন্তু চীনের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি বিবেচনা করে বাংলাদেশ তা আরও পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নেয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একই রকম উপকূলীয় নজরদারি বিষয়ক নেটওয়ার্ক ভারত মহাসাগরীয় অন্য দেশগুলোতেও স্থাপন করছে ভারত। এর মধ্যে রয়েছে মৌরিতাস, শ্রীলংকা, সিসিলি ও মালদ্বীপ।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত সেপ্টেম্বরে ভারতের নৌবাহিনীর গোয়েন্দা বিমান ভারত মহাসাগর ও এর আশপাশের অঞ্চলে চীনা লিবারেশন আর্মি নেভির সাতটি যুদ্ধজাহাজ অপারেশনে আছে বলে শনাক্ত করে। গত বছর ভারত মহাসাগরে চীনা নৌবাহিনীর টাইপ ০৩৯এ ইউয়ান ক্লাসের একটি সাবমেরিন শনাক্ত করা হয়।

২০১৭ সালের জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত পশ্চিম ভুটানের ডোকলাম উপত্যকা নিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে অস্থিরতার সৃষ্টি হয়। ৭২ দিনের ওই অচলাবস্থার মাঝে ভারত মহাসাগরে চীনা নৌবাহিনীর ১৪টি যুদ্ধজাহাজ ও সাতটি সাবমেরিন অবস্থান করছিল। ২০১৩ সাল থেকে ভারত মহাসাগরে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন শুরু করে চীন। তখন বলা হয়, সেগুলো আডেন উপসাগরে জলদস্যুবিরোধী অপারেশনে নিয়োজিত।

সূত্র : যুগান্তর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *