বুধ. অক্টো ১৬, ২০১৯

সৌন্দর্যের লীলাভূমি জৈন্তাপুর

 বালা ডেস্কঃ যারা সবুজ অরণ্য আর পুরাকৃতি আর ঝরনা ও পাহাড়ের মন মাতানো রুপে মোহিত হন তাদের যেন হাতছানি দিয়ে ডাকছে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি জৈন্তাপুর। নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলা নিকেতন, নানা বৈচিত্র্য, পাহাড়ী ঝর্ণাধারা আর সবুজের সমাহারপূর্ণ উপজেলা জৈন্তাপুর।

এখানে পাহাড়ের কোল ঘেঁসে ঘুমিয়ে থাকে শান্ত জলের হ্রদ, নদী বয়ে চলে তার আপন মনে। সীমানার ওপাড়ে নীল আকাশ মিতালী করে হ্রদের সাথে, চুমু খায় পাহাড়ের বুকে। এখানে চলে পাহাড় নদী আর ঝরনার এক অপূর্ব মিলনমেলা যেখানে প্রকৃতি কথা বলে কবিতার ভাষায়। নদীর বাঁকে বাঁকে বাতাস সুর তোলে আপন মনে, গায় সুন্দরের গান। চারপাশ যেন আঁকা কোন জল রঙের ছবি। এখানে হাজার রঙের প্রজাপতি খেলা করে সবুজের মাঝে, রাতের আঁধারে দীপ জ্বেলে যায় লক্ষ কোটি জোনাকীর দল।

এখানকার প্রতিটি পরতে পরতে লুকিয়ে আছে অদেখা এক ভূবন যেখান আপনার জন্য অপেক্ষা করছে নয়ানাভিরাম দৃশ্যপট। এ উপজেলার বৈচিত্র্যময় জীবনধারা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সবাইকে বিমোহিত করে। তাই ঘুরে আসুন নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের লীলাভূমি সিলেটের জৈন্তাপুর। যারা ইতিমাধ্যে সিলেটের লাউয়াছড়া, মাধবপুর কিংবা জাফলং দেখে ফেলেছেন তাদের জন্য একটি আদর্শ পর্যটন স্পট হতে পারে জৈন্তাপুর। জৈন্তাপুর সিলেটের একটি প্রাচীন জনপদ।

সিলেট শহর হতে ৪০ কিলোমিটার দূরে জৈন্তা-খাসি পাহাড়ের পাদদেশে জৈন্তাপুর অবস্থিত। উত্তর এবং পূর্বে পাহাড়-পর্বত এবং উপত্যকার সমাবেশস্থল আর দক্ষিণে এবং পশ্চিমে বহু হাওরের সমাহার। এর উত্তরে ভারতীয় রাজ্য মেঘালয়, দক্ষিণে কানাইঘাট এবং গোলাপগঞ্জ উপজেলা, পূর্বে কানাইঘাট আর পশ্চিমে গোয়াইনঘাট এবং সিলেট সদর।

এখানে রয়েছে জৈন্তা রাজবাড়ি, খাসিয়াপাড়া আর সাইট্রাস গবেষণাকেন্দ্র। তা ছাড়া লালাখাল আর জাফলং জৈন্তাপুর থেকে একেবারে কাছে। পাশেই রয়েছে জৈন্তা হিল রিসোর্ট। এর আশপাশের নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের সঙ্গে এখানকার ঝরনা আপনাকে মুগ্ধ করবে। খুব কাছে দাঁড়িয়ে মেঘালয়ের উঁচু উঁচু সব পাহাড়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *